Welcome to Business Studies, your number one source for learning.-----We're dedicated to providing you the best of learning information and knowing new things , with a focus on dependability.----- We're working to turn our passion for learning information into a booming online platform.----- We hope you enjoy our sites as much as we enjoy offering them to you.----- Sincerely,Masud Parvez

সহজে অনলাইনে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল: একটি সম্পূর্ণ গাইড (২০২৩-২৪)


অনলাইনে ট্যাক্স রিটার্ন করার জন্য একটি বিস্তারিত, সহজ এবং বাংলাদেশের সরকারের চাহিদা অনুযায়ী নির্দেশিকা দেওয়া হলো। ইংরেজি ভার্সন পড়ুন: Click Here

আয়কর রিটার্ন করা সকল করদাতার নাগরিক দায়িত্ব। ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) নির্দিষ্ট শ্রেণীর করদাতাদের জন্য অনলাইনে (e-Filing) রিটার্ন প্রদান করা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে। এই নির্দেশিকাটি ধাপে ধাপে বিস্তারিতভাবে অনলাইনে রিটার্ন প্রক্রিয়া সফল করতে হেল্প করবে, যেন কোনোরকম ভুল হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

কাদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক?

NBR-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হবে:

  • সকল কোম্পানি (Company)।

  • সকল সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী যাদের বেতন থেকে উৎসে কর (TDS) কাটা হয়।

  • কোনো কোম্পানির পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার।

  • ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী বা অন্যান্য পেশাজীবী।

  • কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, যাদের টিআইএন আছে।

  • যেসব করদাতার আয়কর জমা দেওয়ার জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করার সুযোগ আছে।

শুরু করার আগে কী কী প্রস্তুত রাখবেন?

ইংরেজি ভার্সন পড়ুন: Click Here

অনলাইনে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিচের তথ্য ও কাগজপত্রগুলো হাতে রাখুন। এতে সময় বাঁচবে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং TIN নম্বর: আপনার কর শনাক্তকরণ নম্বর এবং এনআইডি নম্বরটি নিশ্চিত করুন।

  • আয়ের বিবরণী:

    • বেতনভোগী হলে: আপনার প্রতিষ্ঠানের দেওয়া স্যালারি স্টেটমেন্ট বা পে-স্লিপ।

    • ব্যবসায়ী হলে: ব্যবসার লাভ-ক্ষতির হিসাব।

    • বাড়ি ভাড়া থেকে আয় হলে: বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্র ও প্রাপ্ত আয়ের বিবরণী।

  • বিনিয়োগের প্রমাণপত্র: যদি আপনি কোনো বিনিয়োগ করে থাকেন, যার উপর আপনি কর রেয়াত নিতে চান, তাহলে সেগুলোর প্রমাণপত্র (যেমন: ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, জীবন বীমার প্রিমিয়াম)।

  • অন্যান্য খরচ: আপনার ব্যক্তিগত বা পরিবারের চিকিৎসা খরচ (যদি থাকে)।

  • উৎসে কর কর্তনের প্রমাণপত্র (TDS Certificate): আপনার ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া TDS সার্টিফিকেট, যেখানে আপনার আয় থেকে কত টাকা কর কাটা হয়েছে তার বিস্তারিত থাকবে।

ধাপে ধাপে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া

ইংরেজি ভার্সন পড়ুন: Click Here

ধাপ ১: NBR ই-রিটার্ন পোর্টালে নিবন্ধন ও লগইন

১. ওয়েবসাইটে যান: প্রথমে NBR-এর অফিসিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টালে etaxnbr.gov.bd প্রবেশ করুন।

২. নিবন্ধন (Registration): যদি আপনি আগে নিবন্ধন না করে থাকেন, তাহলে 'Registration' বাটনে ক্লিক করে আপনার TIN নম্বর, মোবাইল নম্বর (যা আপনার NID দিয়ে নিবন্ধিত) এবং একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন। আপনার মোবাইলে একটি OTP আসবে যা দিয়ে আপনাকে নিবন্ধন যাচাই করতে হবে।

৩. লগইন: নিবন্ধন সম্পন্ন হলে, আপনার TIN, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা দিয়ে পোর্টালে লগইন করুন।

ধাপ ২: রিটার্ন জমা দেওয়া শুরু

লগইন করার পর 'Return submission' অপশনে ক্লিক করুন। সেখানে আপনাকে কিছু প্রাথমিক তথ্য দিতে হবে:

  • অর্থবছর (Assessment Year): ২০২৩-২৪ অর্থবছর সিলেক্ট করুন।

  • রিটার্নের ধরন (Return Type): আপনার জন্য প্রযোজ্য রিটার্নের ধরনটি বেছে নিন।

  • আয় ও উৎস: আপনার আয়ের উৎস যেমন: বেতন, ব্যবসা, বাড়ি ভাড়া ইত্যাদি নির্বাচন করুন।

ধাপ ৩: ফর্ম পূরণ

এই ধাপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে প্রতিটি সেকশন সাবধানে পূরণ করতে হবে।

  • ব্যক্তিগত তথ্য: আপনার নাম, ঠিকানা, পেশা, জন্মতারিখ ইত্যাদি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে। এটি যাচাই করে নিন।

  • আয়ের বিস্তারিত: আপনার বেতন, ব্যবসা বা অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের পরিমাণ সঠিকভাবে ইনপুট দিন।

  • ব্যয় ও বিনিয়োগ: আপনার খরচ এবং কর রেয়াতের জন্য প্রযোজ্য বিনিয়োগের পরিমাণ লিখুন। সিস্টেমটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনিয়োগের উপর আপনার প্রাপ্য রেয়াত হিসাব করে দেবে।

  • সম্পদ ও দায়: আপনার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, যেমন: জমি, ফ্ল্যাট, ব্যাংক ব্যালেন্স এবং ঋণ (দায়) এর বিস্তারিত উল্লেখ করুন।

ধাপ ৪: করের হিসাব এবং পরিশোধ

ফর্ম পূরণ শেষ হলে, সিস্টেমটি আপনার মোট আয়, করযোগ্য আয় এবং প্রদেয় করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করবে। যদি আপনার কোনো কর বকেয়া থাকে, তাহলে আপনি 'Payment' অপশনে ক্লিক করে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে সহজেই তা পরিশোধ করতে পারবেন।

  • পেমেন্ট পদ্ধতি: আপনি ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট) অথবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে কর পরিশোধ করতে পারেন।

ইংরেজি ভার্সন পড়ুন: Click Here

ধাপ ৫: রিটার্ন জমা এবং প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ডাউনলোড

কর পরিশোধের পর, 'Submit' বাটনে ক্লিক করে আপনার রিটার্ন জমা দিন। রিটার্ন জমা দেওয়ার সাথে সাথেই আপনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট পাবেন:

১. Acknowledgement Slip: এটি আপনার রিটার্ন সফলভাবে জমা দেওয়ার প্রমাণ।

২. Tax Certificate: এটি আপনার আয়কর পরিশোধের সনদ।

এই দুটি ডকুমেন্ট ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখা আপনার জন্য জরুরি।

মনে রাখবেন

  • কোনো সমস্যা হলে NBR-এর কল সেন্টারে 09643717171 নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

  • অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ভুল তথ্য দিলে ভবিষ্যতে জটিলতার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সাথে সম্পন্ন করুন।

  • এই পদ্ধতি শুধু অনলাইন রিটার্ন দাখিলের জন্য। যদি আপনি ম্যানুয়ালি বা অন্য কোনো পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করতে চান, তাহলে NBR-এর ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।

ইংরেজি ভার্সন পড়ুন: Click Here

Post a Comment

If you have any doubts, please let me know.

Previous Post Next Post