Welcome to Business Studies, your number one source for learning.-----We're dedicated to providing you the best of learning information and knowing new things , with a focus on dependability.----- We're working to turn our passion for learning information into a booming online platform.----- We hope you enjoy our sites as much as we enjoy offering them to you.----- Sincerely,Masud Parvez

বাংলাদেশের নদ-নদী ও নদী প্রণালী।


বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। এ দেশে অসংখ্য নদ নদী এবং এর শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে আছে। এতবেশি নদ-নদী পৃথিবীর আর কোথাও নেই। বাংলাদেশের মতো একটি ছোট দেশে ২৩০টি নদ-নদী রয়েছে। নদ নদী এদেশের প্রান। এগুলোকে কেন্দ্র করেই এ দেশের জনগণের জীবনব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশে যে সকল বড় নদী ও
  শাখা নদী আছে তার দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১৫,০০০ মাইল। আমাদের জাতীয় জীবনে এসবের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এ সব নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে রয়েছে শত শত শহর-বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এসব শহর বন্দরকে ঘিরে চলে আমাদের দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। নদীগুলো আমাদের দেশের অর্থনীতির প্রান।

বাংলার মানুষের নদীর প্রতি রয়েছে অপরিসীম টান। তারা নদীকে ভালোবাসে অকৃত্রিমভাবে মায়ের মতো। নদীকে  ভালোবেসে তারা এ সব নদ-নদীর নামকরণ করেছে বিচিত্র সুন্দর নামে। নদীগুলোর নাম শুনলে আমাদের প্রাণ  জুড়িয়ে যায়। আমাদের দেশের নদীগুলোর নাম হলো- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলি, আত্রাই, গড়াই, করতোয়া, বুড়িগঙ্গা, ইছামতি, ভাগীরথী, কপোতক্ষ, মধুমতী, মহানন্দা, পাইরা, বিষখালী, লোহালিয়া, তেতুলিয়া, সাগু, মাতামুহুরি, বিষবানী, চিত্রা, তিতাস, মহুয়া, মহুৱা,  সুরমা,  পশুর,  রূপসা প্রভৃতি।

এ নদীগুলো যোগায় আমাদের জন্য নানা ধরনের খাদ্য। প্রাচীনকাল থেকেই বলা হয় যে, মাছে-ভাতে বাঙালি। এ মাছের যোগান আসে নদীগুলো থেকে। শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড না। আমাদের সাংস্কৃতিক জীবনেও রয়েছে এ সব নদ-নদীর প্রভাব। আমাদের দেশের কবি সাহিত্যিকরা নদীকে ঘিরে সাহিত্য চর্চা করেছেন। রচিত হয়েছে অজস্র গান, কবিতা, উপন্যাস। আমাদের দেশে যে ভাটিয়ালী, জারি, সারী গান গাওয়া হয় তাও মূলত এ নদীকে কেন্দ্র করে। সাহিত্য কর্ম দেশের মানুষের মনের খোরাক যুগিয়ে এসেছে যুগ-যুগান্তরে। নদীগুলো তাদের গতিপথ পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের জীবনের গতিপথও পরিবর্তন করে। আমাদের নদীগুলোতে প্রতিনিয়ত চলে ভাঙাগড়ার খেলা। তার গতিপথে হাজার বার গতি পরিবর্তন করে বিলীন করে দেয় শত শত শহর-বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রকে। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া এ সব নদ-নদীর অববাহিকার জনগণের জীবনে নেমে আসে  চরম দুঃখ ও দুর্দশা। আমাদের নদীগুলো প্রায় প্রতি বছর বন্যা নিয়ে আসে। হিমালয়ের পাহাড়ে অতি বর্ষণে যে পানি জমা হয় তা এ সব নদ-নদী দিয়ে সাগরে যাওয়ার সময় দুকূল ছাপিয়ে আসে বন্যা। বিগত শতাব্দীতে  অনেক বড় বড় বন্যা আমাদের দেশের মানুষের জীবনে নিয়ে এসেছে গভীর দুঃখের ছাপ। তাই কেউ কেউ আমাদের দেশের ও নদীগুলোকে সর্বনাশা বলে আখ্যাতেও করার প্রয়াস পেয়েছেন।

তবে বাংলাদেশের এ সব নদ-নদীকে পাঁচটি নদী প্রণালিতে ভাগ করা যায়।

১. গঙ্গা নদী প্রণালি:

২. ব্রহ্মপুত্র, যমুনা নদী প্রণালি

৩. মেঘনা এবং সুরমা নদী প্রণালি

৪. উত্তরাঞ্চলের নদী প্রণালি

৫. দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের নদী প্রণালি

 

Post a Comment

If you have any doubts, please let me know.

Previous Post Next Post